আনোয়ার হোসেন মামুন এর ৩টি কবিতা
আনোয়ার হোসেন মামুন
(এক)
দেখেছি সেদিন
দেখেছি সেদিন রাস্তার ধারে মাখলোকাতের রুপ
ধ্বঃসের লীলা মেতে উঁঠে মনুষ্যত্বে নীল রুপ।
মানুষের হাতে মানুষের খুন, কী যে নেশা হল
খবর কাগজে হেডলাইনে চিত্র ছাপা হল।
ধ্বঃসের লীলা মেতে উঁঠে মনুষ্যত্বে নীল রুপ।
মানুষের হাতে মানুষের খুন, কী যে নেশা হল
খবর কাগজে হেডলাইনে চিত্র ছাপা হল।
কিছু মানুষ শান্তির নামে দিচ্ছে আগুন জ্বেলে
দেখেছি সেদিন পশু গুলো কেমনে খেলা খেলে।
কীসের আশায় মেতেছে, তারা এমন খেলায়?
দেখেছি শিশুর আহাজারি সকাল সন্ধ্যা বেলায়।
দেখেছি সেদিন পশু গুলো কেমনে খেলা খেলে।
কীসের আশায় মেতেছে, তারা এমন খেলায়?
দেখেছি শিশুর আহাজারি সকাল সন্ধ্যা বেলায়।
ডাস্টবিনে নবজাতক পেলে দিল নরগ মাতা
ঐশীর হাতে খুন হয়েছে তার পিতামাতা।
কী করনে শিশু রাজন করল মৃত্যু বরণ?
দেখেছি সেদিন তার কান্না কেউ শুনেনি তখন।
ঐশীর হাতে খুন হয়েছে তার পিতামাতা।
কী করনে শিশু রাজন করল মৃত্যু বরণ?
দেখেছি সেদিন তার কান্না কেউ শুনেনি তখন।
কোন দিকে হাটছে মানুষ সভ্য নাকি জাতি
আধুনিকতার নামে কেন চলছে নোংরামি?
দশ বছরের শিশু আয়শা ধর্ষেণের শিকার
পিতা আলী চেয়েছিল পাবে কঠিন বিচার।
আধুনিকতার নামে কেন চলছে নোংরামি?
দশ বছরের শিশু আয়শা ধর্ষেণের শিকার
পিতা আলী চেয়েছিল পাবে কঠিন বিচার।
শাস্তি তারা নিজে পেল করল আত্মদান
কোথায় ছিল সভ্য সমাজ,কী ফেল প্রতিদান?
দেখবো আমি কবে সেদিন সত্যের হবে বিজয়
সেদিন আমি তৃপ্তি পাব মিথ্যার হবে পরাজয় ।
কোথায় ছিল সভ্য সমাজ,কী ফেল প্রতিদান?
দেখবো আমি কবে সেদিন সত্যের হবে বিজয়
সেদিন আমি তৃপ্তি পাব মিথ্যার হবে পরাজয় ।
(দুই)
পাপি
তোমার দরবারে নিঃস্ব আমি
ফাসেকি গুনাগার,
সাওয়াব আমার নাই যে কিছু
হে পরওয়ারদিগার।
ফাসেকি গুনাগার,
সাওয়াব আমার নাই যে কিছু
হে পরওয়ারদিগার।
বিশটা বছর কেটে দিলাম
পাপে ভরা জিবন,
আর নিওনা এমন কাজে
করি অাকুল আবেদন।
পাপে ভরা জিবন,
আর নিওনা এমন কাজে
করি অাকুল আবেদন।
হেদায়েত কর প্রভু
লজ্জিত আজ আমি,
বাকি জিবন আমি যেন
তোমার পথে চলি।
লজ্জিত আজ আমি,
বাকি জিবন আমি যেন
তোমার পথে চলি।
![]() |
| আনোয়ার হোসেন মামুন |
(তিন)
রাবেয়া বসরী
বসরা নগরীতে জন্ম তাহার
রাবেয়া বসরী ডাকে,
দরিদ্রতা তাহার কাছে
দুঃখ নাহি আনে।
তিনি ছিলেন ক্রীতদাসী
দুষ্ট মনিবের গোলাম
দিনের আলোতে কারত কাজ
করেনি রাতে আরাম।
ইবাদতে মুগ্ধ যখন
নূরের আলো ঘরে
প্রভূুর কাছে আরজ ছিল
স্বাধীন যেন থাকে।
তিঁনি ছিলেন আল্লাহভীরু
বসরী বাসি জানে,
প্রভূর কাছে চাইতে তাহার
লজ্জা লাগে মনে।
প্রভূ তাকে দিয়েছে মোজেজা
যখন কিছু চায়,
রান্না কাজের পেঁয়াজ তাহার
পাখি দিয়ে যায়।
সহজ সরল জীবন যাপন
বসরী ভালোবাসে
সর্বাবস্থায় আল্লাহর নিকট
কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে।
বসরা নগরীতে জন্ম তাহার
রাবেয়া বসরী ডাকে,
দরিদ্রতা তাহার কাছে
দুঃখ নাহি আনে।
তিনি ছিলেন ক্রীতদাসী
দুষ্ট মনিবের গোলাম
দিনের আলোতে কারত কাজ
করেনি রাতে আরাম।
ইবাদতে মুগ্ধ যখন
নূরের আলো ঘরে
প্রভূুর কাছে আরজ ছিল
স্বাধীন যেন থাকে।
তিঁনি ছিলেন আল্লাহভীরু
বসরী বাসি জানে,
প্রভূর কাছে চাইতে তাহার
লজ্জা লাগে মনে।
প্রভূ তাকে দিয়েছে মোজেজা
যখন কিছু চায়,
রান্না কাজের পেঁয়াজ তাহার
পাখি দিয়ে যায়।
সহজ সরল জীবন যাপন
বসরী ভালোবাসে
সর্বাবস্থায় আল্লাহর নিকট
কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে।
ছবিসহ লেখা পাঠান এই ঠিকানায়-
kachagollamagzine@gmail.com

No comments